ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য জনপ্রিয় ক্যাটাগরি

হ্যালো বন্ধুরা আশা করি আপনারা সকলে ভালো আছেন। আপনাকে আবারো আমাদের সাইটে স্বাগতম জানাই। আজকে আমি আপনাদের সাথে ফ্রিল্যান্সিং এর কয়েকটি জনপ্রিয় ক্যাটাগরি নিয়ে আলোচনা করবো। এই ক্যাটাগরি গুলোতে কাজ করলে আপনার অনেকটা লাভ হবে।

অনেকেই আছেন যারা ফ্রিল্যান্সিং এ কোনো কাজ পাচ্ছেন না। এর মূল কারণ হলো আপনি হয়তো এমন কোনো ক্যাটাগরিতে কাজ করছেন যার চাহিদা খুব একটা বেশি নয়। এবং অপর কারণ হলো প্রথমদিকে ফ্রিল্যান্সিং এর কারোর ই কাজ ভালো হয় না। খুব তাড়াতাড়ি পায় না। এটা হলো ২য় কারণ। তারপরেও আপনি যদি ভালো কোনো ক্যাটাগরিতে কাজ করতে চান তাহলে নিচে দেওয়া ক্যাটাগরিতে গুলোতে কাজ করতে পারেন।

 

ফ্রিল্যান্সিং এর জনপ্রিয় ক্যাটাগরি

 

ডিজাইনিং

ডিজাইনিং এর অনেক ধরনের কাজ মানে ক্যাটাগরি আপনি এখানে(ফ্রিল্যান্সিং এ) পাবেন। আপনাকে এজন্য ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটরের ও ইত্যাদি ফটো ইডিটিং এর কাজ জানতে হবে। এছাড়াও ডিজাইনিং এর আরো অনেক ধরনের সফটওয়ার আছে। যেগুলো সম্পর্কে আপনার পূর্ণ ধারণা থাকতে হবে। তা না হলে ডিজাইনিং এর কাজ আপনি করতে পারবেন না। কারণ ক্লায়েন্টের চাহিদা মাথায় রেখে এক এক সময় এক এক ধরনের ডিজাইন আপনাকে করতে হবে। বিভিন্ন ধরনের ডিজাইনিং এর কাজ আছে। যেমনঃ

১। প্রেজেন্টেশন
২। ফটোগ্রাফী
৩। অ্যানিমেশন
৪। লোগো ডিজাইন
৫। ইলাস্ট্রেশন
৬। গ্রাফিক্স ডিজাইন ইত্যাদি

 

রাইটিং

এই কাজ করার জন্য আপনাকে সৃজনশীল হতে হবে। কারণ আপনাকে বিভিন্ন ধরনের টপিক্স এর উপর লিখতে হতে পারে। আপনাকে ক্লায়েন্ট যে রাইটিং এর কাজ দিবে আপনাকে প্রথমে সে বিষয়ে কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করতে হবে। তারপর পূর্ণ একটা ধারণা লাভ করার পরই ঐ বিষয়ে লেখা আরম্ভ করতে পারেন। নিচে কিছু আর্টিকেল রাইটিং এর কাজের উদাহরণ দিলাম।

১। বিজনেস প্লান রাইটিং
২। ক্রিয়েটিভ রাইটিং
৩। একাডেমিক রাইটিং
৪। ওয়েবসাইট কনটেন্ট রাইটিং
৫। টেকনিক্যাল রাইটিং
৬। সি.ভি ও কভার লেটার রাইটিং
৭। গ্রান্ট রাইটিং
৮। কপিরাইটিং
৯। অ্যার্টিকেল ও ব্লগ পোস্ট রাইটিং ইত্যাদি

 

অডিও এবং ভিডিও প্রোডাকশন

আপনি যদি ভাল ভিডিও ধারণ করতে পারেন। তাহলে আপনি এখানে ভিডিও নিয়ে কাজ করতে পারেন। অনেকেই আছে এখানে ভিডিও কেনা বেচা করে থাকে। অনেক ইনকাম আসবে এখান থেকে। অন্যদিকে আপনি যদি ভিডিও এডিট করতে পারেন তাহলেও অনেক জব পাবেন এখান থেকে। তবে ভিডিও বা অডিও এর কাজ করতে হলে আপনাকে অনেক গুলো অডিও এবং ভিডিও এর সফটওয়ারের কাজ জানা লাগবে।

সফটওয়ার সম্পর্কে জ্ঞান বা জানা না থাকলে আপনি অডিও বা ভিডিও নিয়ে কাজ করতে পারবেন না।

 

ওয়েব ডিজাইনিং এবং সফটওয়ার ডেভেলপমেন্ট

আপনি যদি কোডিং এ ভাল হয়ে থাকেন। তাহলে আপনি ওয়েব ডিজাইনিং এবং সফটওয়ার ডেভেলপমেন্টের কাজ করতে পারেন। এই ধরনের কাজের পেমেন্টও বেশি হয়ে থাকে। আপনি যে কোন ধরনের সফটওয়ার তৈরি করতে হতে পারে। তাই ভাল ভাবে এই বিষয়ে জ্ঞান থাকতে হবে। হতে পারে মোবাইল সফটওয়ার বা কম্পিউটারের সফটওয়ার।

 

ট্রান্সলেশন

আপনি যদি বিভিন্ন দেশের ভাষা বুঝে থাকেন। তবে এই কাজ আপনার জন্য উপযোগী। কারণ ট্রান্সলেশনের মত অনেক কাজ আছে এখানে। শুধু মাত্র ক্লায়েন্টদের চাহিদা মোতাবেগ একটা কনটেন্ট কে অন্য ভাষায় রূপান্তরিত করে দিতে হবে।

এছাড়া আরো অনেক কাজ আছে। যে গুলো সম্পর্কে আপনার আলাদা আলাদা জ্ঞান থাকার পাশাপাশি কাজ জানা থাকতে হবে।

এই যেমনঃ
১.কনসালটেশন এবং অ্যাকাউন্টিং
২.ডাটা সাইন্স ও এনালাইটিক্স
৩.আইটি ও নেটওয়ার্কিং
৪.কাস্টমার সার্ভিস
৫.সেলস এবং মার্কেটিং
৬.ইঞ্জিনিয়ারিং এবং আর্কিটেকচার ইত্যাদি

আজকের আর্টিকেল এই পর্যন্তই আশা করি আপনাদের ভালো লেগেছে। আজকের মতো এখানেই আর্টিকেল টি শেষ করছি। ভালো থাকবেন সুস্থ্য থাকবেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *